ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় নিজের কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা সালেক মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনায় আখাউড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগীর ওই কিশোরীর মা। ওই মামলায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে ধর্ষক সালেককে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত সালেক মিয়া উপজেলার মোগড়া বাজার এলাকার মৃত মালু মিয়া ছেলে।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে ওই কিশোরী ঘুমিয়ে পড়েন। পরে রাত আড়াইটার দিকে কিশোরী মেয়ের ঘরে ঢুকেন সালেক মিয়া। এরপর ঘুম থেকে মেয়েকে তুলে নিজ ঘরে নিয়ে হত্যার হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বলেন, আমার মেয়ে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণিতে পড়ে। আমি শুক্রবার ওই মেয়েকে তার বাবার কাছে রেখে অন্য দুই সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যাই। ওইদিন দিবাগত রাতে আমার স্বামী মেয়ের কক্ষে গিয়ে তাকে ঘুম থেকে তুলে এনে হত্যার হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় বাবা সালেকের নির্যাতনে সে কান্নাকাটি করতে থাকে। পাশের বাড়ির লোকজনও রাতে কান্নার শব্দ শুনতে পান। আমি বাড়িতে আসার পর দেখি মেয়ে অসুস্থ ও তার মন খারাপ। পরে তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায় তার বাবা তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে মামলা করি। এরপর রাতে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ভুক্তভোগীর মায়ের অভিযোগ, এর আগেও অভিযুক্ত সালেক একাধিকবার এই কাজ করেছেন।

আখাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে তার মা সাজেদা বেগম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় রাতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া ভিকটিমকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।